শুক্রবার, ২০ মে ২০২২, ০১:১৩ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
কুমিল্লা আঞ্চলিক পাসপোর্ট অফিসের উপপরিচালক নুরুল হুদা স্থানীয় সাংবাদিকের মোবাইল ফোনটি আটক রাখার অভিযোগ কুমিল্লায় একটি বাড়ি থেকে ৬শত পিস ইয়াবাসহ একজন মাদককাবারি আটক কুমিল্লায় কোচিং সেন্টারের শিক্ষার্থীদের ঘুমের ঔষধ খাইয়ে অজ্ঞান করে শারীরিক সর্ম্পক স্থাপন করার অভিযোগে একজন আটক র‍্যাবের সঙ্গে বন্দুকযুদ্ধে প্রধান আসামি রাজু নিহতঃ কুমিল্লায় সাংবাদিক মহিউদ্দিন সরকার নাঈমের হত্যা মামলার আসামি ঈদকে সামনে রেখে কিশোর গ্যাংয়ের সদস্যরা বেপরোয়া ভাবে নগরীর বিভিন্ন স্থানে ছিনতাইয়ের অভিযোগ কুমিল্লায় গাঁজাসহ এক মাদক ব্যবসায়ী আটক কুমিল্লায় পৃথক র‌্যাবের অভিযানে ৩ মাদক ব্যবসায়ী সাথে ৬ শত ফেন্সিডিল উদ্ধার কুমিল্লার ধুর্মপুর রেলওয়ে এলাকায় একপক্ষের হামলায় রবিন আহত কুমিল্লায় ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে হামলা-ভাংচুর ও লুটপাট কুমিল্লায় মাদক ব্যবসায়ী আবু জাফর গ্রেফতার
নোটিশ :

কুমিল্লায় কোচিং সেন্টারের শিক্ষার্থীদের ঘুমের ঔষধ খাইয়ে অজ্ঞান করে শারীরিক সর্ম্পক স্থাপন করার অভিযোগে একজন আটক

স্টাফ রিপোর্টার,কুমিল্লাঃ সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে কলেজ শিক্ষার্থীর আপত্তিকর ছবি ভিডিও ভাইরাল ঘটনায় কুমিল্লা নগরীর কুমিল্লা হাই স্কুলের সাবেক প্রধান শিক্ষক আব্দুল কাদেরকে (৬০) গ্রেফতার করে থানার পুলিশ।

জানা যায়, গতকাল রোববার (১৭ এপ্রিল ) দিবাগত রাতে নারী শিশু নিযার্তন ও পর্নোগ্রাফি মামলায় জেলা লালমাই উপজেলার রসলপুর এলাকায় থেকে গ্রেফতার করেন পুলিশ, একইদিন বিকালে আদালতে প্রেরণ করলে চিফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট মামলার ২ নাম্বার আসামি আব্দুল কাদেরকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন।মামলার প্রধান আসামি জেলার লালমাই উপজেলার বাকই (উত্তর) ইউনিয়নের রসলপুর গ্রামের আব্দুল কাদের ছেলে মোঃ শাহনেওয়াজ বাহার (৪০)। তার বিরুদ্ধে অর্থ জালিয়াতি ও প্রতারানার একাধিক মামলা আদালাতে চলমান রয়েছে।

মামলার এজাহার সূত্রে জানা যায়, মামলার বিবাদী বাহার কুমিল্লা হাই স্কুলের খন্ডকালীন শিক্ষক ছিলেন, সেই সুবাদে ভুক্তভোগী শিক্ষার্থীর তার কাছে প্রাইভেট পড়তেন। এসময় বাহারের সাথে ফাহমিদা (ছদ্মনাম) আক্তার (১৬) প্রেমের সর্ম্পক গড়ে উঠে। তাদের মাঝে ভাল সর্ম্পক সৃষ্টি হাওয়ার শারীরিক সম্পর্ক স্থাপন করেন দুইজন। পরে ভুক্তভোগী শিক্ষার্থীর অগোচরে তার আপত্তিকর ছবি ও ভিডিও ধারণ করেন বাহার। এসব ছবি ও ভিডিও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছাড়িয়ে দেওয়ার ভয়ভীতি দেখিয়ে ভুক্তভোগী শিক্ষার্থীকে বিবাহ করেন।কয়েকদিন পর বিবাদী স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তির উপস্থিতে তালাক প্রদান করে কোনো প্রকার সর্ম্পক না রাখার অঙ্গীকার প্রদান করেন। শাহনেওয়াজ ও তার পিতা মোঃ আব্দুল কাদের পরস্পর যোগসাজশে ভূক্তভোগী শিক্ষার্থী ও তার পরিবারকে বিভিন্ন ধরনের ভয়-ভীতি দেখান।গত বছর ৩ অক্টোবরে বাহার ভুক্তভোগী শিক্ষার্থীর মোবাইলে কথা আছে বলে তার বাসায় এসে শোয়ার রুমে প্রবেশ করে গোপনীয় ছবি, ভিডিও ধারণ করে জোর পূর্বক র্ধষন করে, বর্তমানে এ শিক্ষার্থী ৬ মাসের গর্ভবতী। পরে এ শিক্ষার্থী বাদী হয়ে বাহার বিরুদ্ধে থানায় হুমকি সংক্রান্তে একটি সাধারন ডায়েরী করেন।সম্প্রতি বাহার তার পিতা কাদের যোগসাজশে ফেইসবুকে ম্যস্যাজের ও বিভিন্ন মাধ্যমে হুমকি ধমকি দেয় যে, তাহার কাছে ফেরত না যাইলে, আবার বিবাহ না করিলে, অথবা এই বিষয়ে কাউকে জানাইলে ভুক্তভোগী শিক্ষার্থী ও তার পরিবারের বিরাট ক্ষতি সাধন করিবে।

এ বিষয় মামলার তদন্ত কর্মকর্তা কোতায়ালী মডেল থানার এসআই মহিউদ্দিন বলেন, মামলার ২ নং নাম্বার আসামি বাহারের পিতা কাদেরকে গ্রেফতার করা হয়েছে। এছাড়া প্রধান অভিযুক্ত মো:বাহার কে আমরা গ্রেফতারে চেষ্টা চলছে। তার বিরুদ্ধে একাধিক অভিযোগ রয়েছে। মূলত সেই তার কোচিং সেন্টারের শিক্ষার্থীদের ঘুমের ঔষধ খাইয়ে অজ্ঞান করে শারীরিক সর্ম্পক স্থাপন করেন বলে আমরা জানতে পারি ।

সংবাদটি শেয়ার করুন:
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  



ফেসবুকে আমরা