শুক্রবার, ২০ মে ২০২২, ০১:২২ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
কুমিল্লা আঞ্চলিক পাসপোর্ট অফিসের উপপরিচালক নুরুল হুদা স্থানীয় সাংবাদিকের মোবাইল ফোনটি আটক রাখার অভিযোগ কুমিল্লায় একটি বাড়ি থেকে ৬শত পিস ইয়াবাসহ একজন মাদককাবারি আটক কুমিল্লায় কোচিং সেন্টারের শিক্ষার্থীদের ঘুমের ঔষধ খাইয়ে অজ্ঞান করে শারীরিক সর্ম্পক স্থাপন করার অভিযোগে একজন আটক র‍্যাবের সঙ্গে বন্দুকযুদ্ধে প্রধান আসামি রাজু নিহতঃ কুমিল্লায় সাংবাদিক মহিউদ্দিন সরকার নাঈমের হত্যা মামলার আসামি ঈদকে সামনে রেখে কিশোর গ্যাংয়ের সদস্যরা বেপরোয়া ভাবে নগরীর বিভিন্ন স্থানে ছিনতাইয়ের অভিযোগ কুমিল্লায় গাঁজাসহ এক মাদক ব্যবসায়ী আটক কুমিল্লায় পৃথক র‌্যাবের অভিযানে ৩ মাদক ব্যবসায়ী সাথে ৬ শত ফেন্সিডিল উদ্ধার কুমিল্লার ধুর্মপুর রেলওয়ে এলাকায় একপক্ষের হামলায় রবিন আহত কুমিল্লায় ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে হামলা-ভাংচুর ও লুটপাট কুমিল্লায় মাদক ব্যবসায়ী আবু জাফর গ্রেফতার
নোটিশ :

কুমিল্লায় হেলাল হত্যার রহস্য উন্মোচন; দু’ আসামি আদালতে হত্যার দায়ভার স্বীকার

সাইফুল ইসলাম শিশির, কুমিল্লাঃ

কুমিল্লার মুরাদনগরে ৪৮ঘন্টার মধ্যে চাঞ্চল্যকর হেলাল হত্যার রহস্য উন্মোচন করেছে থানার পুলিশ। হত্যার সাথে জড়িত ৬ জনের মধ্যে ৫জন গ্রেফতার করেছে পুলিশ। আসামিদের মধ্যে ২জন আদালতে ৬৪ দ্বারা জবানবন্দিতে হত্যার রহস্য উন্মোচন করে দায়ভার স্বীকার করেন।গত বৃহস্পতিবার বিকেল ৫টায় মুরাদনগর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি)  মো.সাদেকুর রহমান প্রেস ব্রিফিংয়ে সাংবাদিকদের এ কথা জানান। তিনি আরোও বলেন, নিহত হেলাল ও আরিফ ঘনিষ্ঠ বন্ধু ছিলো। সেই সুবাদে হেলাল প্রায় আরিফের বাড়িতে রাত্রি যাপন করত। আরিফের অজান্তে তার মায়ের সাথে সম্পর্ক গড়ে উঠে হেলালের। প্রায় দু’মাস আগে হেলালকে তার মায়ের সাথে আপত্তিকর অবস্থায় দেখে ফেলে আরিফ। এর পর থেকেই ঘনিষ্ঠ বন্ধু শত্রুতে রূপ নেয়। গত মঙ্গলবার (১২ অক্টোবর) রাতে হেলালসহ আরো ৫ জন বন্ধুকে নিয়ে নেশা করার উদ্দেশ্যে নবীপুর মেসার্স নিউ থ্রি স্টার ব্রিকস্ ফিল্ডে যায় আরিফ। নেশায় বুদ হওয়ার পর পকেটে থাকা খুর দিয়ে হেলালের গলায় পুচ মারে আরিফ। মাটিতে শুয়ে পরলে সাথে থাকা বন্ধুদের সহযোগিতা নিয়ে হেলালের লিঙ্গ কেটে ফেলে আরিফ। পরে লাশ ডুবায় ফেলে পালিয়ে যায় তারা। এই হত্যার সাথে জড়িত আটককৃতরা হলেন, জয়নাল হোসেনের ছেলে রাসেল মিয়া (২৪), আলী আকবরের ছেলে জাহাঙ্গীর হোসেন (২৫), হিরন মিয়ার ছেলে জুয়েল মিয়া (২২), হারুন মিয়ার ছেলে সুজন মিয়া (২১) ও আবু তাহেরের ছেলে এরশাদ (২৯)। তবে ঘটনার মূল নায়ক কালাম মিয়ার ছেলে আরিফ মিয়া (২২) এখনো পলাতক। তারা সবাই উপজেলার নবীপুর পশ্চিম ইউনিয়নের নবীপুর গ্রামের বাসিন্দা।

উল্লেখ্য, গত সোমবার দুপুরে উপজেলার নবীপুর-শ্রীকাইল সড়কের নিউ থ্রি স্টার ব্রিকস্ ফিল্ডের পাশের ডোবা থেকে উপজেলার রহিমপুর গ্রামের হিরু মিয়ার ছেলে হেলাল উদ্দিন (২১) এর লাশ উদ্ধার করে পুলিশ। সে পেশায় একজন সিএনজি চালক ছিল।

সংবাদটি শেয়ার করুন:
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  



ফেসবুকে আমরা